Alt+0131= ƒ (টাকা) Alt+0165= ¥ (ইয়েন) Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ) Alt+0215= × (গুণ) Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক) Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড) Alt+0163= £ (লীরা) Alt+0128= € (পাউন্ড) Alt+0247= ÷ (ভাগ) Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট) Ctrl + A = সিলেক্ট অল। Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড। Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা। Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা। Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজাবা প্রতিস্থাপন করা। Ctrl + G = গো টু কমান্ড। Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড। Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক। Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা। Ctrl +L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য। Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য। Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য। Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট। Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফেরমাঝে স্পেসিং করার জন্য। Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + S = ফাইল সেভ। Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য। Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য। Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য। Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য। Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য। Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ।
Translate
Massage for you
Allah is my lord
শনিবার, ৭ মে, ২০১৬
কম্পিউটারের গুরুত্বপুর্ণ শর্টকাট
Alt+0131= ƒ (টাকা) Alt+0165= ¥ (ইয়েন) Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ) Alt+0215= × (গুণ) Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক) Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড) Alt+0163= £ (লীরা) Alt+0128= € (পাউন্ড) Alt+0247= ÷ (ভাগ) Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট) Ctrl + A = সিলেক্ট অল। Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড। Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা। Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা। Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজাবা প্রতিস্থাপন করা। Ctrl + G = গো টু কমান্ড। Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড। Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক। Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা। Ctrl +L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য। Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য। Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য। Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট। Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফেরমাঝে স্পেসিং করার জন্য। Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + S = ফাইল সেভ। Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য। Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য। Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য। Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য। Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য। Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ।
বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০১৬
রোজ নামচা।
দৃপ্তিময় সূর্যে আভা পৃথিবীর চারিদিকে আলো ছড়াচ্ছে। আকাশে হালকা মেঘ এদিক-সেদিক ঘুরাফেরা করছে।সারি-সারি সুপারির গাছ দাড়িয়ে আছে, দেখে মনে হয় কাউকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য তাদের এই দন্ডাইমান। গাছের পাতা গুলি মৃদু বাতাসে হালকা দুল খাচেছ।
শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় মাদ্রাসা বন্দ, হাতে তেমন কাজ নেই। ভাবলাম শেরপুর আইটি ইনিস্টিটিউট থেকে এক ঘুরে আসে, আগের রাতে সজিব স্যারের সাথে কথা হয়েছে স্যার আমাকে আসতে বলছেন, স্যার আমাকে ডাকবে এটা আমার কাছে অনেক বড় সৌভাগ্যের বিষয়। রাতে কাজ থাকায় আসতে পারি নাই। সকাল 10 টায় আইটিতে ডুকলাম। স্যারদের সাথে কুশল বিনিময় করার পর কম্পিউটারে বসে পড়লাম। আমার একটা বদ অভ্যাস কম্পিউটার দেখলেই কম্পিউটার চালাতে ইচ্চা করে যদিও তেমন পারি নাই। অন্তু স্যার আমাকে একটি ব্লগের টেমপেলেট বানানো শিথিয়ে দিলেন। এজন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। স্যার আমাকে খুব স্নেহ করে। যদিও তাদেরকে সম্মান দেখাতে পারি না।
আমার পাশের কম্পিউটারে বসা ম্যাডাম। ম্যাডামের মনটা উদার। কোন সমস্যা হলে জিজ্ঞাসা করলে হাসি মুখে সমস্যার সমাধান করে দেই।
শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় মাদ্রাসা বন্দ, হাতে তেমন কাজ নেই। ভাবলাম শেরপুর আইটি ইনিস্টিটিউট থেকে এক ঘুরে আসে, আগের রাতে সজিব স্যারের সাথে কথা হয়েছে স্যার আমাকে আসতে বলছেন, স্যার আমাকে ডাকবে এটা আমার কাছে অনেক বড় সৌভাগ্যের বিষয়। রাতে কাজ থাকায় আসতে পারি নাই। সকাল 10 টায় আইটিতে ডুকলাম। স্যারদের সাথে কুশল বিনিময় করার পর কম্পিউটারে বসে পড়লাম। আমার একটা বদ অভ্যাস কম্পিউটার দেখলেই কম্পিউটার চালাতে ইচ্চা করে যদিও তেমন পারি নাই। অন্তু স্যার আমাকে একটি ব্লগের টেমপেলেট বানানো শিথিয়ে দিলেন। এজন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। স্যার আমাকে খুব স্নেহ করে। যদিও তাদেরকে সম্মান দেখাতে পারি না।
আমার পাশের কম্পিউটারে বসা ম্যাডাম। ম্যাডামের মনটা উদার। কোন সমস্যা হলে জিজ্ঞাসা করলে হাসি মুখে সমস্যার সমাধান করে দেই।
হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) এর বংশ তালিকা:
হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) থেকে একেবারে হযরত আদম (আঃ) পর্যন্ত পূর্বপুরুষগণের
তালিকা
হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ)
তাঁহার পিতা আব্দুল্লাহ,
তাঁহার পিতা আব্দুল মোত্তালিব,
তাঁহার পিতা হাসিম,
তাঁহার পিতা আব্দ মানাফ,
তাঁহার পিতা কুছাই,
তাঁহার পিতা কিলাব,
তাঁহার পিতা মুরাহ,
তাঁহার পিতা কা’ব
তাঁহার পিতা লুই,
তাঁহার পিতা গালিব,
তাঁহার পিতা ফাহর,
তাঁহার পিতা মালিক,
তাঁহার পিতা আননাদর,
তাঁহার পিতা কিনান,
তাঁহার পিতা খুজাইমা,
তাঁহার পিতা মুদরাইকা,
তাঁহার পিতা ইলাস,
তাঁহার পিতা মুদার,
তাঁহার পিতা নিজার,
তাঁহার পিতা মা’দ,
তাঁহার পিতা আদনান,
তাঁহার পিতা আওয়াদ,
তাঁহার পিতা হুমাইসা,
তাঁহার পিতা সালামান,
তাঁহার পিতা আওয,
তাঁহার পিতা বুয,
তাঁহার পিতা কামওয়াল,
তাঁহার পিতা ওবাই,
তাঁহার পিতা আওয়ান,
তাঁহার পিতা নাসিদ,
তাঁহার পিতা হিযা,
তাঁহার পিতা বালদাস,
তাঁহার পিতা ইয়াদলাফ,
তাঁহার পিতা তাবিখ,
তাঁহার পিতা জাহিম,
তাঁহার পিতা নাহিস,
তাঁহার পিতা মাখি,
তাঁহার পিতা আ”য়েফ
তাঁহার পিতা আবকার,
তাঁহার পিতা উবাইদ,
তাঁহার পিতা আদ দাহা,
তাঁহার পিতা হামদান,
তাঁহার পিতা সানবার,
তাঁহার পিতা ইয়াসরিবি,
তাঁহার পিতা ইয়াহজিন,
তাঁহার পিতা ইয়ালহান,
তাঁহার পিতা ইরাওয়া,
তাঁহার পিতা আইযি,
তাঁহার পিতা যিশান,
তাঁহার পিতা আইছার,
তাঁহার পিতা আফনাদ,
তাঁহার পিতা আইহাম,
তাঁহার পিতা মুকাসির,
তাঁহার পিতা নাহিস,
তাঁহার পিতা যারিহ,
তাঁহার পিতা সামি,
তাঁহার পিতা মায্যি,
তাঁহার পিতা ইওয়াদ,
তাঁহার পিতা ইরাম,
তাঁহার পিতা হিদার,
তাঁহার পিতা হযরত ইসমাইল (আঃ),
তাঁহার পিতা হযরত ইবরাহিম (আঃ),
তাঁহার পিতা তারক
তাঁহার পিতা নাহুর,
তাঁহার পিতা সারুয,
তাঁহার পিতা রা’উ,
তাঁহার পিতা ফাহিয,
তাঁহার পিতা আবীর,
তাঁহার পিতা আফরাহশাদ,
তাঁহার পিতা সা’ম,
তাঁহার পিতা হযরত নূহ (আঃ),
তাঁহার পিতা লামিক,
তাঁহার পিতা মাতু সালিখ,
তাঁহার পিতা হযরত ঈদ্রীস (আঃ),
তাঁহার পিতা ইয়ারিদ,
তাঁহার পিতা মালহালিল,
তাঁহার পিতা কিনান,
তাঁহার পিতা আনস,
তাঁহার পিতা হযরত শীস (আঃ),
তাঁহার পিতা হযরত আদম (আঃ)
জুমআর নামাজের বিশেষ ফযিলত:
খ্রিষ্টানরা রবিবারকে তাদের ইবাদতের দিন বানিয়েছিল। অবশেষে আল্লাহ তাআলা এ উম্মতের জন্য শুক্রবারকে মহান দিবস ও ফযীলতের দিন হিসেবে দান করেছেন। আর উম্মতে
মুহাম্মদী তা গ্রহণ করে নিলো। [বুখারী, মুসলিম]
হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন ফরজ গোসলের মতো গোসল করে প্রথম দিকে মসজিদে হাজির হয়, সে যেনো একটি উট কুরবানী করলো, দ্বিতীয় সময়ে যে ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে সে যেনো একটি গরু কুরবানী করলো, তৃতীয় সময়ে যে ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেনো একটি ছাগল কুরবানী করলো। অতঃপর চতুর্থ সময়ে যে ব্যক্তি মসজিদে গেল সে যেনো একটি মুরগী কুরবানী করলো। আর পঞ্চম সময়ে যে ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেনো একটি ডিম কুরবানী করলো। অতঃপর ইমাম যখন বেরিয়ে এসে মিম্বরে বসে গেলেন খুৎবার জন্য, তখন ফেরেশতারা লেখা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যায়। [সহীহ বুখারী]
হযরত আউস বি আউস আস সাকাফী রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. ইরশাদ করেন, জুমাআর দিন যে ব্যক্তি গোসল করে প্রথম ভাগে মসজিদে গমন করে, পায়ে হেঁটে মসজিদে যায় (অর্থাৎ কোনো কিছুতে আরোহণ করে নয়), ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কোনো কিছু নিয়ে খেল তামাশা করে না; সে ব্যক্তির প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য রয়েছে বছরব্যাপী রোজা পালন ও সারা বছর রাত জেগে ইবাদত করার সমতুল্য সওয়াব। [মুসনাদে আহমাদ]
রাসূল সা. ইরশাদ করেন, জুমআর সালাতে তিন ধরণের লোক হাজির হয়,
১. এক ধরণের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।
২. দ্বিতীয় আরেক ধরণের লোক আছে যারা জুমআয় হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না।
৩. তৃতীয় প্রকার লোক হলো যারা জুমআয় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার দুই জুম’আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিন দিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ্ তাআলা মাফ করে দেন। [সুনানে আবু দাউদ]
হাদিস থেকে
হযরত আবু হুরায়রা রা: হইতে বর্নিত । তিনি বলেন, রাসুল সা: এরশাদ করেন, ঈমানের সত্তরটিরও বেশি শাখা-প্রশাখা রয়েছে। তম্নধ্যে সর্ব পেক্ষা উত্তম শাখা হচ্ছে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা ( তথা বিশ্বাস স্থাপন করা) আর সর্ব নিম্ন শাখা হচ্ছে রাস্তা হতে কোন কস্ট দায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। এবং লজ্জা হলো ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।
( বুখারী ও মুসলিম)
( বুখারী ও মুসলিম)
এক বুজুর্গের ইবাদত
এক বুজুর্গের ইবাদতঃ
হযরত জাবজানি ( রহ:) বলেন, বনী ইস্রাইলের এক ব্যক্তি এক দুশ্চরিত্রা মহিলার সঙ্গ লাভের পর গোসল করিবার উদ্দেশ্যে এক নহরে অবতরণ করিল। সঙ্গে সঙ্গে পানি তাহাকে লক্ষ করিয়া বলিয়া উঠিল, হে আদম সন্তান! তোমার কি লজ্জা-শরম বলিতে কিছুই নাই? তুমি তো তওবা করিয়াছিরলে যে, আর কখনো এই অপরাধ করিবে না। এই কথা শুনিয়া সে ভয় পাইয়া ডাঙ্গায় উঠিয়া আসিল। অতঃপর সে পথে পথে ঘুরিয়া শুধু বলিতে লাগিল- “ আমি সারা জীবন আল্লাহ্ পাকের নাফরমানী করিয়াছি। ” একদিন সে এক পাহাড়ের উঠিয়া দেখিতে পাইল, সেখানে ১২ জন মানুষ আল্লাহ পাকের ইবাদতে মশগুল। এই দৃশ্য দেখিয়া সেও তাহাদের সঙ্গে ইবাদতে লিপ্ত হইয়া গেল। কিছুদিন পর সেখানে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে আবেদগণ ঘাস ও চারা গাছের সন্ধানে লোকালয়ের দিকে চলিল। পথে একটি নহর অতিক্রমের সময় সেই লোকটি বলিল, আমি তোমাদের সঙ্গে যাইতে পারিব না। কারণ জিজ্ঞাসা করিলে সে বলিল, ঐখানে এক বস্তু আমার বিগত জীবনের অপরাধ সম্পর্কে অবগত। সুতরাং উহার নিকট গমন করিতে আমার লজ্জাবোধ হইতেছে।
অবশেষে আবেদগণ তাহাকে ত্যাগ করিয়া নহর অতিক্রম করিতে লাগিল। এই সময় নহর বলিয়া উঠিল, হে আবেদগণ! তোমাদের সঙ্গীটি কোথায়? জবাবে তাহারা জানাইল, সে বলিতেছে এখানে এমন এক বস্তু আছে, যে তাহার বিগত অপরাধ সম্পর্কে অবগত। উহার সম্মুখে আসিতে তাহার সঙ্কোচবোধ হইতেছে। এই কারণে সে আমাদের সঙ্গে আসিতে পারে নাই। আবেদগণের এই কথা শুনিয়া নহর বলিল, সুবহানাল্লাহ! তোমাদের কোন সন্তান বা আপনজন কোন অপরাধ করিবার পর যদি সে তওবা করিয়া পুনরায় সুপথে ফিরিয়া আসে তবে কি তোমরা তাহাকে ভালোবাসিবে না? তোমাদের সঙ্গীটিও তওবা করিয়া পুনরায় নেক আমল করিতে শুরু করিয়াছে। এখন আমিও তাহাকে ভালোবাসি। তোমরা তাহাকে লইয়া আস এবং নহরের প্রান্তে আল্লাহর ইবাদত করিতে থাক। আবেদগণ ঐ ব্যক্তিকে এই সুসংবাদ দান করিল এবং নহরের প্রান্তে আসিয়া ইবাদত করিতে লাগিল। তাহারা দীর্ঘকাল এইভাবে ইবাদত করিবার পর এক সময় ঐ ব্যক্তি সেখানে ইন্তেকাল করিল। তাহার ইন্তেকালের পর নহর আওয়াজ দিয়া বলিল, হে আবেদগণ! হে আল্লাহর বান্দাগণ! তাহাকে আমার পানি দ্বারা গোসল দিয়া আমার পাশেই দাফন কর, যেন কেয়ামতের দিন আমার অঙ্গন হইতেই তাহার পুনরুত্থান হয়। আবেদগণ নহরের কথামত মৃতের কাফন-দাফন সম্পন্ন করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিল যে, আজ রাতে তাহারা কবরের পাশেই শয়ন করিবে এবং সকালে উঠিয়া অন্যত্র চলিয়া যাইবে। কিন্তু সকালে তাহার ঘুম হইতে জাগ্রত হইয়া দেখিতে পাইল, কবরের উপরে ১২ টি সাইপ্রাসবৃক্ষ দাঁড়াইয়া আছে। তাহারা এই বিশ্ময়কর ঘটনার বিশ্লেষন করিয়া এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইল যে, এই ঘটনা দ্বারা আল্লাহ্ পাক আমাদিগকে এখানেই অবস্থান করিতে ইশারা করিয়াছেন। অতঃপর তাহারা সেখানেই ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল রহিল। তাহাদের মধ্যে কেহ ইন্তেকাল করিলে তাহাকে ঐ কবরের পাশেই দাফন করা হইত। এইভাবে একে একে সকলেই ইন্তেকাল করিল।
বুধবার, ৪ মে, ২০১৬
প্রচলিত ভুল
লোকমুখে শোনা যায়, আখেরী যামানায় এমন অবস্থা হবে যে, একজন পুরুষের বিপরীতে ১৫/২০ জন নারী হবে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি এমন দাঁড়াবে যে কয়েকজন
নারী একজন পুরুষকে তাড়া করবে আর সে দৌড়ে পালাবে এবং নিরুপায় হয়ে গাছে
আশ্রয় নিবে। সেখান থেকে সে প্রস্রাব করবে। সেই প্রস্রাব পান করে তারা
গর্ভবতী হবে।
এটি
একেবারেই মনগড়া অলীক কাহিনী মাত্র। নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে এর কোনো
অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। এমন কথাবার্তা বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকা
আবশ্যক।
তবে এ কথা সত্য যে, কিয়ামতপূর্ব যুগে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। (দ্র. সহীহ মুসলিম, হাদীস ১০১২; ফাতহুল মুলহিম ৩/৪৩)একটি ভুল প্রচলন :
কুরআন মাজীদ পড়ে গেলে কি তা ওজন করে চাল সদকা করতে হয়?
কিছু কিছু মানুষের ধারণা, হাত থেকে যদি কুরআন মাজীদ পড়ে যায় তাহলে ঐ কুরআন মাজীদের (মুসহাফের) ওজনে চাল সদকা করতে হয়। এটি কুরআনের প্রতি আযমত ও মুহাব্বতের কারণে হলেও তা একটি ভুল প্রচলন।
এছাড়াও এখানে আরেকটি আপত্তিকর ও কুরআনের প্রতি এক ধরনের অসম্মানের বিষয় রয়েছে। তা হল, কুরআন মাজীদ (মুসহাফ) ওজন করা। কুরআন মাজীদের সম্মান করতে গিয়ে মনগড়া পন্থা অবলম্বনের কারণে কুরআনের বেহুরমতি-অসম্মান হয়ে যাচ্ছে। চিন্তাশীল মানুষ মাত্রই তা উপলব্ধি করতে সক্ষম।
আমরা সাবধান থাকব, যাতে হাত থেকে মুসহাফ পড়ে না যায়। মুসহাফ এমনভাবে ধরব না বা এমন স্থানে রাখব না, যার কারণে তা পড়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। আর নিজের অসাবধানতার কারণে যদি পড়ে যায় তাহলে এস্তেগফার করব এবং চাইলে এমনিতেই কিছু সদকাও করতে পারি।
কুরআন মাজীদের প্রতি আজমত ও মুহাব্বত মুমিনের ঈমানী বৈশিষ্ট্য। কিন্তু এ আযমত ও মুহাব্বতের প্রকাশও হতে হবে শরীয়ত নির্দেশিত পন্থায়। তাহলেই তা নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য হবে। প্রসঙ্গত এটাও স্মরণ রাখি, কুরআন মাজীদের প্রতি আসল আজমত ও মুহাব্বত হল, কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করা,
এর ইলম হাসিল করা এবং কুরআন নির্দেশিত পন্থায় জীবন পরিচালনা করার চেষ্টা করা। www.facebook.com/hafej.minhaz.1
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
